এটা সত্যি যে আইফোন ৬ ও ৬ প্লাস পূর্বের যেকোন আইফোন থেকে আকারে বড়, দ্রুত ও প্রায় সবদিক থেকে অগ্রসর। এখানে এক নজরে দেখে নেওয়া যাক ঠিক কোন জায়গাগুলোতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে সদ্যঘোষিত এই আইফোনে। প্রথমত, এর ধারগুলি আরো বাঁকানো, স্ক্রিন বড়- একটি ৪.৭ ইঞ্চি ও আরেকটি ৫.৫ ইঞ্চি। অ্যাপেলের পূর্বের দু’টি আইফোন ৫ সি ও ৫ এস-এর আকার ছিল মাত্র ৪ ইঞ্চি। ডিসপ্লে ছাড়াও ফোন দুটিতে সবচেয়ে বেশি পার্থক্য লক্ষ্য করা যায় স্টোরেজ ক্যাপাসিটিতে। আইফোন ৫ সি ছিল ৮ গিগাবাইট স্টোরেজ সমৃদ্ধ, ৫এস পাওয়া যেত দুইটি ভিন্ন সংস্করণে ১৬ গিগাবাইট ও ৩২ গিগাবাইট স্টোরেজ সুবিধায়। কিন্তু আইফোন ৬ ও ৬ প্লাস পাওয়া যাবে তিনটি ভিন্ন সংস্করণে ১৬ গিগাবাইট,৬৪ গিগাবাইট ও সুবিশাল ১২৮ গিগাবাইট ক্যাপাসিটিতে। স্বভাবতঃই আইফোন ৬ ও ৬ প্লাসের মূল্য বেড়ে যাবে অনেকটা, বিশেষত বৃহৎ মেমরি স্টোরেজ সংস্করণে।
আইফোন ৬ ও ৬ প্লাস চলবে সদ্য ঘোষিত আইওএস ৮ অপারেটিং সিস্টেমে। আইফোন ৬ এর ডিসপ্লে হতে যাচ্ছে রেটিনা এইচডি আর আগের ৫ এ তা ছিল শুধু রেটিনা ডিসপ্লে। নতুন ফোনের বড় ডিসপ্লের জন্য থাকবে বড় ব্যাটারী। আইফোন ৫ এস এ যেখানে একটানা ভিডিও দেখা যেত মাত্র ১০ ঘন্টা, এখন আইফোন ৬ এ দেখা যাবে ১১ ঘন্টা আর আইফোন ৬ প্লাসে ১৪ ঘন্টা।
ভিন্নতা এসেছে ডিভাইসের প্রসেসরেও। আইফোন ৬ এবং ৬ প্লাসে আছে ৬৪ বিট এ৮ প্রসেসর ও এম৮ কো-প্রসেসর। পূর্বের আইফোন ৫এস ও ৫সি তে ছিল যথাক্রমে এ৭ ও এ৬ চিপ। আগের ৫ সি এবং ৫এস এর মতো আইফোন ৬ এ আছে ৮ মেগা পিক্সেল ক্যামেরা, তবে ৬ প্লাস এ বাড়তি হিসেবে থাকছে অপটিকাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন সুবিধা।
সিমকার্ড, হেডফোন, ইন্টেলিজেন্ট অ্যাসিসট্যান্টের ক্ষেত্রে অ্যাপেল-এর নতুন দুটি ডিভাইসে তেমন কোন পরিবর্তন আসেনি। তবে ওজনের ক্ষেত্রে তফাৎ আছে বেশ। আইফোন ৬ প্লাসের ওজন ১৭২ গ্রাম, ৬ এর ১২৯ গ্রাম এবং ৫ এস এর ছিল ১১২ গ্রাম ও ৫সি এর ছিল ১৩২ গ্রাম। এবার শুধু ১৯ সেপ্টেম্বরের অপেক্ষা কারণ তখনই কেবল ক্রেতা হাতে নিয়ে অনুভব করতে পারবেন অ্যাপেল আইফোন ৬ ও আইফোন ৬ প্লাস সত্যিই আগের আইফোনের চাইতে কতোটা এগিয়ে।
ছবি: apple.com
আইফোন ৬ প্লাস, আইফোন ৬, আইফোন ৫এস ও আইফোন ৫সি
আইফোন ৬ ও ৬ প্লাস চলবে সদ্য ঘোষিত আইওএস ৮ অপারেটিং সিস্টেমে। আইফোন ৬ এর ডিসপ্লে হতে যাচ্ছে রেটিনা এইচডি আর আগের ৫ এ তা ছিল শুধু রেটিনা ডিসপ্লে। নতুন ফোনের বড় ডিসপ্লের জন্য থাকবে বড় ব্যাটারী। আইফোন ৫ এস এ যেখানে একটানা ভিডিও দেখা যেত মাত্র ১০ ঘন্টা, এখন আইফোন ৬ এ দেখা যাবে ১১ ঘন্টা আর আইফোন ৬ প্লাসে ১৪ ঘন্টা।
ডিসপ্লে - আইফোন ৬ প্লাস, আইফোন ৬, আইফোন ৫এস ও আইফোন ৫সি
ভিন্নতা এসেছে ডিভাইসের প্রসেসরেও। আইফোন ৬ এবং ৬ প্লাসে আছে ৬৪ বিট এ৮ প্রসেসর ও এম৮ কো-প্রসেসর। পূর্বের আইফোন ৫এস ও ৫সি তে ছিল যথাক্রমে এ৭ ও এ৬ চিপ। আগের ৫ সি এবং ৫এস এর মতো আইফোন ৬ এ আছে ৮ মেগা পিক্সেল ক্যামেরা, তবে ৬ প্লাস এ বাড়তি হিসেবে থাকছে অপটিকাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন সুবিধা।
ডিজাইন - আইফোন ৬ প্লাস, আইফোন ৬, আইফোন ৫এস ও আইফোন ৫সি
সিমকার্ড, হেডফোন, ইন্টেলিজেন্ট অ্যাসিসট্যান্টের ক্ষেত্রে অ্যাপেল-এর নতুন দুটি ডিভাইসে তেমন কোন পরিবর্তন আসেনি। তবে ওজনের ক্ষেত্রে তফাৎ আছে বেশ। আইফোন ৬ প্লাসের ওজন ১৭২ গ্রাম, ৬ এর ১২৯ গ্রাম এবং ৫ এস এর ছিল ১১২ গ্রাম ও ৫সি এর ছিল ১৩২ গ্রাম। এবার শুধু ১৯ সেপ্টেম্বরের অপেক্ষা কারণ তখনই কেবল ক্রেতা হাতে নিয়ে অনুভব করতে পারবেন অ্যাপেল আইফোন ৬ ও আইফোন ৬ প্লাস সত্যিই আগের আইফোনের চাইতে কতোটা এগিয়ে।
ছবি: apple.com
10:53 PM
Sakif Mahmud Reshad
Posted in:
0 comments:
Post a Comment